পুড়ে খাক বাগরি মার্কেট
নন্দরাম মার্কেটের ভয়াবহতার এক দশক পরে বড়বাজারে আবারো বিধ্বংসী আগুন
কল্যাণ অধিকারী,
নন্দরাম মার্কেটের ভয়াবহতা ফিরিয়ে আনলো শনিবারের মধ্যরাত। বিধ্বংসী
আগুনের গ্রাসে বড়বাজার এলাকার বাগরি মার্কেট। ঘিঞ্জি এলাকার আগুন নেভাতে ৩০ টির মতো দমকলের ইঞ্জিন একটানা কাজ করে চলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার তখন ভোররাত ঘড়িতে তখন বাজে আড়াইটে। আগুন লাগার খবর চাউর হয়। মুটে ও ভ্যান চালকরা বিল্ডিংয়ের নিচে শুয়ে থাকায় আগুন প্রথমে দেখতে পায়। পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে একের পর এক দমকলের গাড়ি পৌঁছে যায়। শুরু হয় আগুন নেভাবার অভিযান। কিন্তু পজিশন ও বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি সরু থাকার দরুন দমকল কর্মীদের কাজে সমস্যা হয়।
কিভাবে লাগলো আগুন?
দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে৷ তবে তদন্ত করে দেখা হবে ঠিক কি কারণে এত বড় আগুন লাগার ঘটনা ঘটলো। মার্কেটের মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলেও সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে। আগুন নেভাতে এসে দমকলের এক কর্মী আহত হয়েছে। এছাড়া এক মুটিয়ার সামান্য চোট লেগেছে।
নন্দরাম মার্কেটে বিধ্বংসী আগুনের এক দশক পরেও বড়বাজার এলাকার আগুনের চিত্র সেই তিমিরেই। অন্তত এ প্রশ্নই আতঙ্কিত এলাকাবাসীর। বড়বাজার ক্যানিং স্ট্রিট এলাকায় একাধিক মার্কেট রয়েছে। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা যাচাই করার কথা পুরসভা ও দমকলের। কিন্তু সেইমত পর্যবেক্ষণ না হওয়ার দরুন আগুন লাগছে৷ কয়েক মুহূর্তে বিধ্বংসী চেহারা নিচ্ছে। এমনটাই মত ব্যবসায়ী দের।
ভোর থেকেই ওখনাকার কারবারি রা চলে এসেছে। চোখেমুখে আতঙ্ক। পূজোর আগে সব শেষ হয়ে গেলো। তিরিশটা ইঞ্জিন কাজ করলেও দাহ্যবস্তুর ভিড়ে বেলা বারোটার পরেও আগুন রয়েছে আগুনেই। বিল্ডিং এর দেওয়াল ঠান্ডা রাখার জন্য জল দেওয়া হচ্ছে। তবে ভিতর থেকে আওয়াজ বেরিয়ে আসছে বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলে কলকাতার মহা নাগরিক তথা দমকল মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। দমকলের ডিজি। রয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার৷




Comments
Post a Comment