রাধা রানির জন্ম বৃত্তান্ত
💙💜💙💗💗💙💜💙শ্রীমতি রাধারাণীর জন্ম তিথি রাাধাঅষ্টমী। রাধারানীর জন্ম হয়েছিল রাভেলে। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি ছিল পবিত্র বৃন্দাবন। তাই এই স্থান সকলের আরাধ্য। কিন্তু কালের প্রভাবে একসময় এই ধাম লুপ্ত হতে চলেছিল প্রায়। কিন্তু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপায় আবার পুনরউদ্ধার হয় শ্রীবৃন্দাবন।
বৃন্দাবনের কাছেই রাভেল নামক একটি স্থান আছে। এই স্থানে রাধারানীর আবির্ভাব হয়েছিল। তাই এই রাভেল কে অতি পবিত্র স্থান হিসেবে গন্য করা হয়।
একদা বৃষভানু (রাধারানীর পালিত বাবা) যমুনা নদীতে স্নান করতে যান। বৃষভানু যমুনা নদীতে স্নান করতে নেমে হঠাৎ দেখলেন ঝলমলে জ্যোতির্ময় এক সোনার পদ্মে একটি শিশুকন্যা। ফুলটি ফুটে আছে ঠিক যমুনা নদীর মাঝখানে। বৃষভানু বিস্মিত হয়ে শিশুর দিকে চেয়ে রইলেন। সে সময় ব্রহ্মা সেই স্থানে আর্বিভূত হন এবং বৃষভানু কে পূর্ব জন্মের কথা স্বরন করিয়ে দেন। পূর্বজন্মে তিনি ও তার স্ত্রী কঠোর তপস্যা করেছিলেন ভগবান বিষ্ণুর পত্নী লক্ষ্মী দেবী কে কন্যারূপে লাভ করার জন্য। ভক্তের মোনোবাঞ্ছা পুরন করতেই ভগবান তার পত্নীকে এইভাবে কন্যারূপে তাদের কাছে পাঠিয়েছেন। ব্রহ্মার কথা শুনে বৃষভানু সেই শিশুকন্যা কে নিয়ে নিজ গৃহে ফিরে এলেন। নিজের পত্নী কে সব বৃত্তান্ত ব্যাখ্যা করলেন। বৃসভানুর পত্নী সাদরে শিশুকন্যা কে মাতৃ স্নেহে বুকে নিলেন। কিন্তু শিশুটি কিছুতেই চোখ খুলছে না। তার চোখ বন্ধ। সকলেই মনে করলো তবে কি এই শিশুকন্যা অন্ধ? তারপর আনুমানিক নয় বছর কেটে যায়। নারদমুনি একদিন বৃসভানুর গৃহে এসে রাধারানীর জন্ম উৎসব পালন করতে বললেন। নারদমুনীর কথা অনুযায়ি বৃষ্ণভানু গৃহে উৎসবের আয়োজন করলেন। সেই উৎসবে নন্দ মহারাজ সপরিবারে আমন্ত্রিত ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে কৃষ্ণও উপস্থিত ছিলেন। ছোট্ট কৃষ্ণ যখন হামাগুড়ি দিতে দিতে শিশু রাধারাণীর দিকে এগিয়ে গেলেন তখন রাধারাণী এক দিব্য সৌরভের সুঘ্রাণ পেয়ে চোখ খুলে প্রথম দর্শন করলেন তার পতি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে। 😭
আনুমানিক প্রায় ৫ হাজার বছর আগে রাভেল নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটেছিল।
🙏🙏 রাধে রাধে 🙏🙏
🙏🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏🙏

Comments
Post a Comment