'সেতু ভঙ্গ' ও আর্তনাদ দেখে 'খিল্লি বাজি'
'সেতু ভঙ্গ' ও আর্তনাদ দেখে 'খিল্লি বাজি'
-কল্যাণ অধিকারী
অনেক পোস্ট দেখছি 'সেতু ভঙ্গ' খিল্লি মেশা। কেউ বলছে ব্রিজের উপর দিয়ে যাব। তো কেউ আবার পকেটে মোবাইল ভাইব্রেশন রাখা নিয়ে। কারো আবার তো রঙের প্রলেপ মেশানো।
এগুলো ক'দিনের পুজো বাম্পার। সপ্তাহ ঘুরবার আগেই অন্য বিষয় নিয়ে শুরু হবে তর্জা। তবুও বেহালার সৌমেন বাগের মা, মুর্শিদাবাদের ঠিকা শ্রমিক গৌতম মণ্ডল ও প্রণব দের পরিবারের কান্নার আর্তনাদ কি ভোলা যাবে!
চলতি বছরের শুরুতে মুর্শিদাবাদ জেলার ভৈরব নদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে বাস পড়ে মৃত্যু হয় ৩৬ জনের। তবুও পেট ভরেনি ভৈরব নদীর। এবার কান্ট্রি বোট ডুবে ১৫ জন যাত্রীর মৃত্যুর আশঙ্কা! কিন্তু কোথায় সব রসায়ন! রসিকতায় শুধুই মাঝেরহাট তাও খিল্লি বাজি ভরা।
যদি কোনদিন রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয় 'মৃত্যু' নামক শব্দের সাথে। পারবেন মুখটা ফিরিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে ? Lic জীবনের দাম দিতে পারবে তো ? কত মিনিট নীরবতা পালন করবে বন্ধুবরেষু মানুষ জন? সেদিন সমস্ত সেতু বন্ধন আদৌ থাকবে তো?
©-কল্যাণ অধিকারী

Comments
Post a Comment