হাতে যদি থাকতো ছোরা


তোর ক্ষুদি কি পড়তো ধরা মাগো

জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য


-কল্যাণ অধিকারী


ইংরেজের ফাঁসির মঞ্চে হাসিমুখে মৃত্যু'কে বরণ করে নিয়েছিল এক অষ্টাদশী। সেই সর্বকনিষ্ঠ বীর শহিদ ক্ষুদিরাম বসু'কে স্মরণ করে না এই ভূভারতে বিরল দৃশ্য।

স্বাধীনতার এত বছর পরে ভারত হারিয়েছে বহু দেশপ্রেমিক সন্তান কে। যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে। তবুও সেদিনের সেই অষ্টাদশী দেশপ্রেমিক ক্ষুদিরাম কে তো আমরা পেলাম না ফিরে। সেই দৃঢ়তা, মাথা উঁচু করে সততার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া, নিষ্ঠা ও সাহসিকতায় অষ্টাদশী ছাপ এক শৈশব কে!
তাহলে সেই বিখ্যাত গানে কেন বলা হল!
"দশ মাস দশদিন পরে
জন্ম নেব মাসীর ঘরে, মাগো,
তখন যদি না চিনতে পারিস দেখবি গলায় ফাঁসি।"

আজ তোমার জন্মদিন। ত্রৈলকানাথ বসুর সেই দুরন্ত ছেলেটার। যে দেশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনবার লড়াইয়ে বিপ্লবী দলে নাম লিখিয়েছিল। রাতের গাড়ো অন্ধকার নেমে আসবার আগেই নিঃশব্দে নিক্ষেপ করেছিল বোমা। পরবর্তী সময় ঝিঁ ঝিঁ পোকার শব্দ থেমে গিয়েছিল ক্ষুদিরাম বসু'র ফাঁসির সাজায়।

প্রার্থনা করি আবার জন্ম নাও কোনও ভারত মায়ের গর্ভ আলোকিত করে। কলের বোমা তৈরি করতে নয়। দেশের ছাত্র সমাজ ও যুব সম্প্রদায়কে 'ভারতমাতা'র প্রতি অনুপ্রেরণা জোগাতে।

©-কল্যাণ অধিকারী

Comments

Popular posts from this blog

গল্প যখন সত্যি তৃতীয় পর্ব

শান্ত দামোদর, পাখিদের কলকাকলি, বাড়তি পাওনা ভারতচন্দ্রের কাব্যতথ্য

শরৎচন্দ্রের বাড়ি একদিনে'র গন্তব্য